নাগেশ্বরী উপজেলা প্রতিনিধি
রাহিমুল ইসলাম সজীব
নাগেশ্বরী উপজেলার নাগেশ্বরী থেকে কালীগঞ্জ রোডের হাসেম বাজার সংলগ্ন ইটের হিরিং রাস্তার বেহাল অবস্থায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে স্থানীয় জনগণ। প্রতিদিন এই রাস্তায় প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার মানুষ চলাচল করে, যার মধ্যে ২ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। এটি শুধুমাত্র একটি যোগাযোগ পথ নয়, বরং এই অঞ্চলের হাজারো মানুষের জীবিকার প্রধান মাধ্যম।
স্থানীয়রা জানান, নাগেশ্বরী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু করে কালীগঞ্জ ডাকনিরপাট পর্যন্ত সড়কটি কার্পেটিং করা হলেও, হাসেম বাজার সংলগ্ন অংশটি এখনো ইটের হিরিং অবস্থায় রয়ে গেছে। ফলে জায়গাটিতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি চরমে পৌঁছেছে। বিশেষ করে পৌরসভা ৮ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত এই অংশে রাস্তাটি ভয়ংকরভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
পথচারী ও এলাকাবাসীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তার অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। হিরিং সড়ক দিয়ে গুরুতর রোগী পরিবহন একটি যুদ্ধের সমান। প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয়দের মতে, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের নজরের অভাবেই আজ এই দুরবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
সময় বাংলাদেশ পত্রিকা কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মোজাম্মেল হোসেন নামের এক স্থানীয় ব্যক্তি বলেন, “নাগেশ্বরী থেকে ডাকনিরপাট পর্যন্ত রাস্তাটি পুরোপুরি কার্পেটিং করা হলেও, শুধুমাত্র হাসেম বাজার সংলগ্ন অংশটি বছরের পর বছর হিরিং অবস্থায় পড়ে আছে। ঠিকাদার ও প্রশাসনের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই। মাঝে মাঝে সামান্য মেরামত করা হলেও তা টেকসই নয়।”
স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে এই হিরিং অংশটি পাকা করে পুরো রাস্তাকে চলাচলযোগ্য করতে হবে। অন্যথায় জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যাবে।
এদিকে, নাগেশ্বরী উপজেলা প্রকৌশলী আসিফ ইকবাল রাজিব জানান, প্রায় ৫০ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের জন্য তালিকা প্রস্তুত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি
