সাতক্ষীরার সুন্দরবনে জেলেদের উপর নির্দেশনা জারি

প্রকাশিত: December 7, 2025 | সময়: 1:18 pm
IMG-20251207-WA0057

মনিরুল ইসলাম

সুন্দরবন প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন ফরেস্ট স্টেশন গুলোতে জেলেদের উপর নির্দেশনা জারি
করেছে।
এর মধ্যেই রয়েছে প্রতিটি জেলে বাওয়ালি স্টেশন থেকেই পাস–পারমিট সংগ্রহ করতে হবে।
এনআইডি কার্ড যাচাই, নৌকার মাথার নির্দিষ্ট রং, সব তথ্য খুঁটিয়ে দেখে তারপরই দেওয়া হবে প্রবেশ অনুমতি।
গত ২ডিসেম্বর সন্ধ্যা হতে এ কার্যক্রম চালু করেছে বনবিভাগ।
এরই ধারাবাহিকতায় সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সকল ফরেস্ট স্টেশন ইতোমধ্যে জেলেদের যাচাই-বাছাই করে সঠিকভাবে পাস–পারমিট প্রদান শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
এবং জেলেদের নৌকা বন থেকে মাছ ধরে ফিরে নৌকসহ জেলেদের সংশ্লিষ্ট অফিসে আসতে হবে, জেলেদের ধরা মাছ, কাঁকড়া ওজন দিয়ে রাজস্ব পরিশোধ করতে হয় বিড়াম্মনায় পড়তে হচ্ছে জেলেদের।
তবে এবিষয়ে জেলেদের কাছে জানতে চাইলে জেলেরা বলেন এমন সময় আছে রাত বারোটার সময় আমাদের ঘাটে আসতে হয়, সকাল হতে না হতেই মৎস্য আড়তে মাছ বিক্রি করতে যাওয়ার জন্য রওনা দেই, কিন্তু বর্তমান সময়ে বন বিভাগ যে নিয়ম চালু করেছে মাছ বিক্রি করার আগেই বন বিভাগের স্টেশনে এবং সংশ্লিষ্ট স্থানে যেয়ে মাছ ও কাঁকড়া ওজন করে তারপরেই যেতে হচ্ছে সেটে আর এতে আমাদের যেমন দাম দর কম পাচ্ছি তেমনি মাছ কাঁকড়া অনেক নষ্ট হয়ে যাচ্ছে,জেলেরা আরো বলেন গত দিনগুলোতে যেমন বনবিভাগের নিয়ম ছিল আমরা চাই ওই নিয়মে ফিরে আসুক তা না হলে সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ করতে যাওয়া হবে না আমাদের জেলেদের।
জেলে আনিসুর রহমান এর কাছে জানতে চাইলে প্রতিবেদক কে বলেন উপকূলীয় অঞ্চলজুড়ে যে মানুষ গুলো সারাজীবন মাছ, কাঁকড়া আহরণ করে জীবন জিবীকা নিরবাহ করে আসছেন, আজ সে জেলে বাওয়ালি পরিবার বনে যেতে না পারায় না খেয়ে পর্যন্ত দিন কাটাতে হচ্ছে।

উপকূল জুড়ে ছেলেদের দাবি বন বিভাগ আগের জায়গায় ফিরে আসুক এবং অসহায় জেলেদের প্রতি একটু সহানুভূতি দেখানো হোক।
এ বিষয়ে বন বিভাগের কাছে জানতে চাইলে বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকারি যে নিয়ম নীতি আছে আমরা সেই নিয়ম-নীতির মধ্য থেকে আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করার চেষ্টা করছি।